বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল জটিল ও বিতর্কিত। এ সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা বিভিন্ন দিক থেকে দেখা যায়:
1 . সরকারি অবস্থান ও কূটনীতি: মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রে রিচার্ড
নিক্সন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং হেনরি কিসিঞ্জার ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। নিক্সন ও কিসিঞ্জার পাকিস্তানকে কৌশলগত মিত্র হিসেবে বিবেচনা করতেন এবং পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খানের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। এই কারণে তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা প্রদান করেছিলেন।
ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা মার্কিন কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের অনেকের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা তৈরি করেছিল। মার্কিন কূটনীতিক আর্চার ব্লাড এবং তার সহকর্মীরা 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিত একটি প্রতিবেদন পাঠান, যেখানে তারা বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন এবং
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সমালোচনা করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল দ্বিধাদ্বন্দ্বপূর্ণ ও জটিল। যদিও সরকারিভাবে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, তবুও সাধারণ জনগণ, কূটনীতিক এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন প্রকাশিত হয়েছিল।